টেস্টে ক্যারিয়ারের প্রথম স্পেলে ৮ ওভার বোলিং করেছেন। ২৪ বলের মধ্যে প্রথম চার ব্যাটসম্যানকে আউট করে ভেঙে দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড। কাল আরও একটি উইকেট নিয়ে অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসেই পেয়ে গেছেন ৫ উইকেট। স্বপ্নময় অর্জন! পরশু ৪ উইকেট পাওয়ার পরই যদিও দিনটিকে বলে দিয়েছিলেন সবচেয়ে স্মরণীয়, ‘খুবই বিশেষ এক দিন এটা। আমার পরিকল্পনা ছিল সহজ।’
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিয়মিত ভালো করছিলেন। গত বছরের জুলাইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দলে ডাকও পেয়েছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের শিকে ছেঁড়েনি শেষ মুহূর্তে বেন স্টোকস আর জেমস অ্যান্ডারসন দলে ফেরায়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে গত মে মাসে তাঁর ওয়ানডে অভিষেক। এর পর থেকেই ইংল্যান্ডের হয়ে সাদা পোশাকে মাঠে নামার প্রহর গুনছিলেন। ওভাল টেস্টে শেষ হলো ২৯ বছর বয়সী রোল্যান্ড-জোন্সের অপেক্ষার পালা।
অভিষেক টেস্টে কেমন বোলিং করবেন, কীভাবে উপলক্ষটা স্মরণীয় করে রাখবেন; ছোটবেলা থেকেই স্বপ্নের জাল বুনে এসেছেন। তবে সেটি যে এমন রঙিন হবে, তা বিশ্বাস করতে পারছেন না রোল্যান্ড-জোন্স নিজেও, ‘নিশ্চয়ই এটা খুব আনন্দের। প্রতিটি তরুণই এমন মুহূর্তের স্বপ্ন দেখে। আমিও ব্যতিক্রম নই। এমন অভিষেক আমার কল্পনাতেও ছিল না।’
মিডলসেক্স বোলারদের এমন রঙিন টেস্ট অভিষেক অবশ্য আগেও হয়েছে। ১৯৭৫ সালে হেডিংলিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেকে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন ফিল এডমন্ডস। পরের বছর ওল্ড ট্রাফোর্ডে অভিষেক টেস্টে ২০ বলের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রয় ফ্রেডেরিক, ভিভ রিচার্ডস ও আলভিন কালিচরণকে আউট করেছিলেন মাইক সেলভি। দুটি ম্যাচই অবশ্য ইংল্যান্ড হেরে গিয়েছিল। বৃষ্টিবিঘ্নিত ওভাল টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার যা অবস্থা তাতে মনে হয় না রোল্যান্ড-জোন্সকে তারা জয়বঞ্চিত করতে পারবে! ক্রিকইনফো, দ্য গার্ডিয়ান।





